বুড়ীও চলে গেছে তার সেই বিবাহ পরবর্তী জীবনে। কুঞ্চিত চোখের কোন কখনো উজ্জ্বল হয়ে উঠছে, কখনো বিষাদে ছেয়ে যাচ্ছে। তার সারা জীবনের ওঠা-পড়ার ছবি চোখে-মুখে খেলে বেড়াচ্ছে। ধীরে ধীরে বললো, ‘দ্যাশ থেকে কিছুই আনতে পারিনাই। কয়েকটা কাঁসার গ্লাস আর এই কাঁথা খান ছাড়া। নাতিটা গ্লাসগুলো বেঁচে খাইছে। তোমাগে কাছে এইটা […]

সবুজ সুতো দিয়ে সেলাইয়ের মাধ্যমে তারপর পাঁচির হাতের ব্যাগটা নিয়ে সোজা মৌয়ের কাছে গিয়ে তার পাশে রেখে বললো, ‘মা, এই ব্যগে আমার গাছের কিছু পেঁপে, পুঁইশাক, একটা লাঊ আর কিছু অন্য শাক আছে। তোমাগে জন্যি আনিছি। আমি গরীব মানুষ, কি আর দেব? যা কিছুই দিই না ক্যান্‌ বাবার উপকার শোধ […]

সে যাক। আমার মনে হলো, বুড়িতো এখন মুটামুটি ঠিক আছে। ওষুধ-পত্র দিচ্ছে সরকারী টিবি দপ্তর। পাঁচি নিজের মতো করেই দেখে। ওর জন্যেই বুড়ি বেঁচে আছে। আমারও আর এতটা মেলামেশা না করাই ভালো। বাড়িতেও মৌ এই নিয়ে মাঝে মধ্যেই অশান্তি করে। ঠিক করলাম আর বেশি যাবোনা। পাঁচিকে বলে এলাম, দরকারে আমার […]

রঙের শাড়ী, মাথার চুল উস্কু-খুস্কো, বোধ হয় অন্য কোন কাজে ব্যস্ত ছিল। দেখেই মনে হয় গলার মতো চেহায়ায়ও তেজ আছে, লাবন্য থাক বা না থাক। বাইরে দাঁড়িয়ে গলা নামিয়ে বললো, ‘ডাকো কেনো?’ ‘দেখ্‌ বাবু আইচে। এট্টু চা টা বানা!’ ‘না, না। আমি চা খাবোনা…’ বললাম। পাঁচি ঘরে ঢুকে খাটের পাশের […]